আমিরুল ইসলাম, নাটোর জেলা সংবাদদাতা : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি বলেছেন, প্রতি বছর বন্যায় প্রতিকুৃল অবস্থার মোকাবেলা করতে হয় হালতিবিল ও চলনবিলবাসিকে। যখনই দুর্যোগ আছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন। এবারও তিনি সার্বিভাবে সহযোগিতা করছেন। বন্যার্ত কেউ না খেয়ে থাকবে না। তাদের কে পর্যাপ্ত ত্রান দেয়া হচ্ছে। তিনবেলা খাবারের ব্যবস্থা আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ হতে করেছি।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, একদিকে করোনা অপরদিকে বন্যায় মানুষ দুর্যোগে সময় কাটছে। ৮ টি ইউনিয়ন এবং পৌরসভার লক্ষাধিক মানুষ বন্যা কবলিত। মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে আসতে পারে সে জন্য আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ কাজ করছে। ৫২ টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তৃত করা হয়েছে। ১৪ টি আশ্রয় কেন্দ্রে মানুৃষ আশ্রয় নিচ্ছে। বিলহালতি ত্রিমোহনী কলেজের সামনে রাস্তা ভেঙ্গে যাতায়াত বন্ধ হবার উপক্রম হয়েছিলো সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তা রক্ষা করা হয়েছে। বন্যার্তদের তিনবেলা খাবারের ব্যবস্থা শেখ হাসিনা সরকার করেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে পুনর্বাসন এবং ঘরবাড়ি পুননির্মাণ করার জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রস্তৃত। প্রতিমন্ত্রী শুক্রবার দুপুর ১২ টার দিকে লালোর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ত্রান বিতরণ কালে এসব কথা বলেন। এসময় তিনি ত্রিমোহনী, ডাঙ্গাপাড়া,বড়বারইহাটি, ডাকমন্ডপ এলাকার বন্যার্ত ৫শ পরিবারকে ত্রান দেন।

এসময় তিনি পানিবন্দী পরিবারের চলাচলের জন্য ১৩ টি নৌকা উপহার দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, নাটোরের জেলা প্রশাসক মো: শাহরিয়াজ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী আবু রায়হান, ঠিকাদার আব্দুল জব্বার সরদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান তালুকদার,উপজেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমিন, লালোর ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, লালোর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম, সাধারন সম্পাদক রুবেল হোসেন, যুগ্ন সম্পাদক একরামুল হক শুভ প্রমূখ।