হ্যালো, কলকাতা (থার্ড নিউজ ইভেন এন্ড ফিলিংস্) এর উদ্যোগে “অপু শিখা ও পরিবেশ উন্নয়ন ফেডারেশন (bangladesh এনজিও) প্রেজেন্ট ইন্দ্র-বাংলাদেশ হারমোনিকা এডিশন এপার-ওপার বাংলা সমাজ ও সাংস্কৃতিক সম্মাননা” কলকাতা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেখানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান, বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির উপদেষ্টা প্রফেসর ড. সাদিয়া আহম্মেদ মনোনীত হয়েছিলেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি উপস্থিত হতে না পারায় সংগঠনের একটি প্রতিনিধি দল ১৪ অক্টোবর ২০২০ বুধবার ঘরোয়া একটি অনুষ্ঠানে তার হাতে পুরষ্কার তুলে দেন। এ সময় কলকাতা প্রতিনিধি ঝরণা সরকার ও ‘দি ক্যাপিটাল রিক্রেয়েশন ক্লাব লিঃ’ এর প্রেডিডেন্ট মোহাম্মদ এনামুল হক স্বপন, কন্ঠশিল্পী সুমি উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা, প্রখ্যাত সেতারাবাদক এবাদুল হক সৈকত, কন্ঠশিল্পী মোঃ বদিউজ্জামান বাদল, উৎপল শর্মা, ফুয়াদ হোসেন, সগিরুল ইসলাম, ইশরাত মান্নান সহ প্রমূখ।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই দেশের গান, নজরুল সংগীত, রবীন্দ্র সংগীত ও আধুনিক গান পরিবেশন করেন প্রফেসর ড. সাদিয়া আহম্মেদ। তিনি কলকাতার আমন্ত্রিত অথিতিদেরকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। ‘দি ক্যাপিটাল রিক্রেয়েশন ক্লাব লিঃ’ এর প্রেডিডেন্ট মোহাম্মদ এনামুল হক স্বপন অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, প্রফেসর ড.সাদিয়া আহম্মেদ আমাদের গর্ব । তিনি এখনও শিক্ষা জীবন ছেড়ে যায়নি।বিদেশের মাটি থেকে পিএইচডি গ্রহণ করলেও দেশের টানে তিনি এখনও দেশাত্ববোধক গানসহ নিয়মিত সেতারা চর্চা করছেন। যা আমাদের জন্য একটি দৃষ্টান্ত।

মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, প্রফেসর ড. সাদিয়া আহম্মেদ একজন মানবিক গুণের মানুষ। করোনাকালীন সময় অসহায় মানুষের পাশে খুব গোপনে নিজের অবস্থান থেকে ব্যাপক সহযোগীতা করেছেণ। তিনি একজন আদর্শ বাবার আদর্শ সন্তান। তার সুযোগ্য পিতা প্রকৌশলী শামছুদ্দিন একজন ভাষা সৈনিক, মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ছিলেন। তিনি যেমন মানুষের কল্যানে নিজেকে উজার করে দিয়েছিলেন একই পথ ধরে তার সন্তানও হাটছেন। হ্যালো কলকাতা এক্সিলেন্ট অ্যাওয়ার্ড পুরষ্কার তার হাতে তুলে দিয়ে ওপার বাংলার মানুষ যে সম্মান জানিয়েছেন সে জন্য আমরা গর্বিত। অনুষ্ঠান শেষে আগত অতিথিদেরকে রকমারি আপ্যায়নের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত ঘোষনা করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি